বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৫৪
Baking News
রমজানের আগে শারীরিক প্রস্তুতি নিন এখনই: ক্লান্তি ও মাথাব্যথা এড়াতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ঢাকার ২০ আসনে বিএনপি ১৩টিতে, জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ঐক্য ৭টিতে জয়ী নিরঙ্কুশ বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়’ — বিএনপির আনন্দোল্লাস সরকার গঠনের পথে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী শফিকুর রহমান নির্বাচিত হলে জাতিকে বিভক্ত হতে দেবো না আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ছাপানো হচ্ছে ২৬ কোটি ব্যালট পেপার মঞ্চে তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঢল ময়মনসিংহে সমাবেশ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ চান না কর্মকর্তারা এ বছর অবসরে যাচ্ছেন ১৬ সচিব, আগামী বছর ২৫ অফিস গুছিয়ে নিচ্ছেন ইসিরা চলে যাবেন ১৪ ফেব্রুয়ারি, নতুন ইসি নিয়ে জল্পনা ৫নং লক্ষিপাশা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী কে এম ফজলুল হক এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা মিকু বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় নড়াইল জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অভিনন্দন সরকারের সমালোচকরা জনগণের দুঃখ দুর্দশা থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকে: ওবায়দুল কাদের লকডাউনে কঠোরতা অব্যাহত বাড়তে পারে আরও সাত দিন শাস্তি জরিমানা সবকিছুর পরও রাস্তায় গাড়ি ও মানুষ বেড়েছে বিস্ফোরণে মুহূর্তেই সব লণ্ডভণ্ড মিলেছে গ্যাসের উপস্থিতি, হাসপাতালে আহাজারি, মর্গে মাতম ১৪টি ভবন ও তিনটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত, তিন তদন্ত কমিটি হৃদরোগে প্রতিবছর মারা যায় ২ লাখ ৭৭ হাজার আজই বসবে ৩৩তম স্প্যান আবহাওয়া ঠিক থাকলে নুর গংদের দ্বারা শুরু হওয়া ধ’র্ষণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে : ছাত্রলীগ সভাপতি জয় বাংলাদেশে সফরে আসছেন মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ষণের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ ছাত্রলীগ নেতার! নোয়াখালীতে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন; প্রধান আসামি গ্রেফতার
Headline :
আবারও বিস্ফোরণে কাঁপল দুবাই, দোহা ও মানামা: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা সৌদি আরবে আবারও ড্রোন হামলা, ইরানের দিকে অভিযোগের আঙুল উত্তর ইসরায়েলের বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি হিজবুল্লাহর বগুড়ায় নির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানে ছাত্রীদের স্কুলে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮ তেল আবিবে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, হামলার আশঙ্কায় সতর্কসংকেত মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলার দাবি ইরানের যতদিন প্রয়োজন, ইরানে বোমা হামলা চলবে: ট্রাম্পের ঘোষণা খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বে কে? খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করল ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আজ শুরু প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪৪৭ হিজরিতে ফিতরার হার ঘোষণা: জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: আজ জাতীয় শহীদ সেনা দিবস অল্প বয়সেই বাড়ছে যে কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণপ্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন দৈনিকসিলেট ডেস্ক স্ট্রোক মানেই কেবল বৃদ্ধ বয়সের রোগ—এই ধারণা এখন অতীত। চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ৫০ বছরের কম বয়সী যুবক-যুবতীদের মধ্যে স্ট্রোকের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। মূলত আধুনিক জীবনযাত্রার অনিয়ম এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনই এই মরণব্যাধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তরুণদের মধ্যে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণগুলো হলো- চিকিৎসকদের মতে, তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় আসা বেশ কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন এই বিপদের মূল কারণ। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ও স্থূলতা : অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) এবং ডায়াবেটিস এখন তরুণদের মধ্যে অতি সাধারণ সমস্যা। তথ্যমতে, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের একটি বড় অংশ উচ্চ রক্তচাপের শিকার, যা স্ট্রোকের প্রধান অনুঘটক। ভুল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অলসতা : ফাস্ট ফুড ও প্রসেসড খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক এবং কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভাব হার্টের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। ধূমপান ও মাদকাসক্তি : ধূমপানের পাশাপাশি অতিরিক্ত মদ্যপান এবং বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে রক্ত জমাট বাঁধতে (Blood Clot) সহায়তা করে। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা : পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনের তীব্র মানসিক চাপ, উদ্বেগ (Anxiety) এবং বিষণ্ণতা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।শারীরিক জটিলতা : গর্ভাবস্থাকালীন বা প্রসব-পরবর্তী বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা এবং জন্মগত হার্টের ত্রুটিও অনেকের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। উন্নত রোগ নির্ণয় পদ্ধতি : বর্তমানে এমআরআই (MRI)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে এখন অনেক ক্ষুদ্র স্ট্রোকও (Silent Stroke) ধরা পড়ছে, যা আগে অজানাই থেকে যেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এই মরণঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। ১. সুষম আহার : খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। অতিরিক্ত লবণ, চিনি এবং চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ২. নিয়মিত ব্যায়াম : শরীর সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা হালকা শরীরচর্চা করুন। ৩. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন : স্ট্রেস কমাতে যোগব্যায়াম বা ধ্যানের (Meditation) সাহায্য নিন। দৈনিক অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। ৪. নেশা বর্জন : ধূমপান এবং মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এটি রক্তনালীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। ৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা : রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা জানতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা শরীরের যে কোনো একপাশ অবশ হওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা তীব্র মাথাব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান। সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে না এলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: আইন ও বিচার বিভাগের নতুন অফিস আদেশ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নারী-শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রোজা শেষে স্বস্তি পেতে ইফতারে রাখুন ৫ মৌসুমি ফল
রিপোর্টারের নাম
  • Update Time : মার্চ, ২৩, ২০২১, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
  • 413 Time View

হাফিজুল ইসলাম (ঢাকা অফিস) : একটা সময় আমাদের সমাজে এমন ধারণা ছিল যে, নারীরা শুধু ঘরের কাজই করবে। রান্নাকরা, ঘর গোছানো, ছেলে-মেয়ে লালন-পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তাদের জগৎ। নারীরা এক সময় উৎপাদনশীল অর্থনীতির মূলধরায় সরাসরি সম্পৃক্ত হবেন-এটা অনেকে কল্পনাও করতে পারতেন না। তারা ভাবতেই পারতেন না যে, একটি নারী জীবনে অনেক কিছুই করতে পারে।

কিন্তু এই নারীরাও পারে তাদের দক্ষতা দিয়ে একজন পুরুষের মত জীবন সাজাতে। পুরুষদের ধারণা ছিল নারীরা বাইরে কাজ করতে পারবে না, তাদের ঘরের কাজই সামলাতে হবে। তাছাড়া অনেক পুরুষই তাদেরকে গোলাম বানিয়ে রাখতে চায়। এমন সব ভ্রান্ত ধারণা যারা মনের মধ্যে পুষে রেখেছিলেন গত দুই দশকে তাদের সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করেছেন লক্ষ-লক্ষ সাহসী নারী।
সবক্ষেত্রে নারীরা যে এগিয়ে- সেটা এখন খুবই দৃশ্যমান। সর্বোচ্চ আদালত, শিক্ষক ,প্রসাশন, সশস্ত্র বাহিনী, নারীসেনা, নারী সাংবাদিক, ট্রেনচালক, ওসি, ডিসি, ইউএনও, সংসদ সদস্য- সবক্ষেত্রে নারীদের এখন জয়জয়কার। প্রায় ২৮ বছর ধরে যে দেশের সরকার প্রধানের দায়িত্বে নারী, সেই দেশের নারীরা কী করে অর্থনীতির প্রাণশক্তি ব্যবসায় পিছিয়ে থাকবেন? তাই তো সংসারের পাশাপাশি নারীদের একটি বড় অংশ নিজ হাতে সামলাচ্ছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। হাজার হাজার সফল নারী উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে ছোট মূলধন নিয়েই শুরু করেছেন ব্যবসা ও সামাজিক উন্নয়স মুলক প্রতিষ্ঠান। যোগ্যতা আর মেধা দিয়ে সেই ছোট মূলধন আজ রূপ নিয়েছে বড় পুঁজিতে। নিজেদের পাশাপাশি অসংখ্য বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তারা।

 

 

ঠিক এমনিই একজন নারী উদ্যোক্তা ‘শিউলি খাতুন’’। একজন কৃষক পরিবারের । মিরপুর উপজেলার আমলা প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জাহানারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে এস.এস.সি পাশ করেন। এরপর আমালা সরকারি ডিগ্রী কলেজ থেকে ২০০৫ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেন। একই কলেজ থেকে বিএতে ভর্তি হন পড়াশুনার পাশাপাশি অগ্রসর হন কর্ম জীবনে। তিনি তখন থেকেই চিন্তা করেছেন নিজে কিছু করবেন সাথে সমাজের গ্রামীন নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহযোগীতা করার পাশাপাশি গ্রামের অবহেলিত প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ শুরু করেন।

শুরু করেন জীবনের নতুন যুদ্ধ। প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কাজতে হবে এমন ভাবনা সবসময়’ কিন্তু কিভাবে সম্ভব! প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করতে অর্থের প্রয়োজন জমি ও ঘরের প্রয়োজন। ২০০৯ সালের প্রতিবন্ধী বিশেষ স্কুল নীতিমালা অনুসরন করে ২০১৫ সালে নিজ বাড়ীর বারান্দা থেকে শুরু করেন। পরবর্তীতে তৃতীয় সংস্করনের মাধ্যেমে কুষ্টয়া মিরপুর চিথলীয়া ইউনিয়নে পহারপুর গ্রামে পাহারপুর বাধগ্রস্থ শিশু বিদ্যালয় স্থাপন করেন।বর্তমানে বিদ্যালটির অধীনে প্রায় ৩১৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অধ্যায়ন রত রয়েছে। বিদ্যালটিতে ১৩ জন সহকারী শিক্ষক ও ৮ জন থ্যারাপিষ্টসহ মোট ৩০ জন কর্মচারী আছেন। যাদের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে প্রতি মূহূর্ত কাজ করে যাচ্ছেন অত্রবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শিউলি খাতুন। ফলে অবহেলীত অসহায় দুস্থ প্রতিবন্ধীরা পাছ্ছে শিক্ষা সহায়ক উপবিত্তি সহ নানান সুবিধা।

 

তিনি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন দুস্থ অসহায় স্বামী পরিত্যাক্তা, গ্রামের দরিদ্র নারীদের করেছেন কর্মস্থান। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, যেমন: সূচি কর্মের কাজ, হ্যান্ডপ্রিন্ট, ব্লক বাটিক, ভেজিটেবল ডাইং, স্কিন প্রিন্ট, টেলারিং, নকশী কাঁথা সেলাই, সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষণ। মিলেছে তাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং হয়েছে সচেতন। পরিবারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এতে করে নিজেদের উন্নতির সাথে সাথে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন তারা।

অর্থনৈতিক মুক্তির ফলে নারী শিক্ষার অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে নানা মানুষের নানা কথা ও বাঁধা উপেক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে তিনি দেখেছেন, একজন নারীকে ঘর থেকে বের হয়ে যখন বাহিরের জগতে নিজের অবস্থানকে শক্ত ভাবে দাঁড় করতে হয় তখন নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে নিজের জায়গা তৈরি করে নিতে হয়।
বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেক জনসংখ্যায় নারী। তাই দেশের এই অর্ধেক জন গোষ্টীকে পিছনে রেখে শুধু মাত্র পুরুষরাই দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে না। এজন্য প্রয়োজন একে অপরের সহযোগিতা। পুরুষদেরও উচিত হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিযে সহযোগিতা করা, এতে করে যেমন প্রতিটি গ্রামীন পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে তেমনি নারী পুরুষ একে অপরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করলে দেশ ও জাতিকে অর্থনৈতিক ভাবে আরো শক্ত অবস্থানে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

নারী উদ্যোক্তা শিউলি খাতুন রির্পোটারকে বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীদের ও প্রতিবন্ধীদের উন্নতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এবং সামাজিক ভাবে মাথা উচুঁ করে দাড়ানোর জন্য যথেষ্ট সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। এবং এই সরকারের সময়কালেই সবচেয়ে বেশি নারী ও প্রতিন্ধীদের উন্নত হয়েছ।

 

 

শিউলি খাতুন আরো বলেন, প্রতিবন্ধী ও অবহেলীত নারীরা এ দেশের বোঝা নয় সম্পদে পরিনত করাই আমার লক্ষ। এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ, মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবে এদেশের অবহেলীত নারী সমাজ ও প্রতিন্ধীরা ।

এই উদ্দ্যেক্তা প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনৈতিক র্কমকান্ডে অংশগ্রহণ কারায় বিভিন্ন সময় নানা পুরষ্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। ২০১৭ সালে সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেছেন যে নারী কেটাগরীতে নিজ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেয়েছেন।এই সম্মাননা পাওয়া তার কাজের প্রতি আরো উৎসাহ বাড়িয়ে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category