করোনাভাইরাস সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ উন্নত বিশ্বের বিরূপ অভিজ্ঞতায় এ সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাকে হুমকি হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। তারা বলছেন, কিছুদিনের শিক্ষা কার্যক্রমের চেয়ে জীবনের নিরাপত্তাই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে এরই মধ্যে অসহায় হয়ে পড়েছে বিশ্বের আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে না পারায় বিশ্বব্যাপী প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এমন অবস্থায় করোনাভাইরাসের বাতাসে ছড়ানোর
ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস : সারা বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করেছে করোনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বের প্রায় দেশই এখন এই মহামারির শিকার। মানুষের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ক্রমশ; বাড়ছে মৃত্যুর হার। বিশ্বের কিছু কিছু দেশে এর প্রতিষেধক টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা
জীবন জুড়ে আমাদের বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। অপছন্দের পরিস্থিতি ও লোকেদের মাঝে বাস করতে হয়। আমরা সেই সমস্ত পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি। আসুন জেনে আসি প্রতিকূলতা অতিক্রম করে কিভাবে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারি। ১. শরীরের যত্ন নিন
করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিকে খুব সহজে পরাস্ত করতে পারে। ভাইরাসটি সাধারণত তার যাত্রা শুরু করে শ্বাসতন্ত্র প্রদােেহর মাধ্যমে। পরে পরিপাকতন্ত্র, হার্ট ও রক্ত সংবহনতন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত করে বসে। গায়ে বেশ জ্বর কমতেই চায় না, অবর্ণনীয় দুর্বলতা, গলাব্যথা, শুষ্ক
একদিকে প্রচণ্ড খরতাপ, অন্যদিকে বৃষ্টি। আবহাওয়ার পরিবর্তনের এই সময় অনেকেই জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা সমস্যায় ভূগছেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ে জ্বর, সর্দি, কাশি হলেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাল হওয়া খুবই সাধারণ