বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:১৫
Baking News
রমজানের আগে শারীরিক প্রস্তুতি নিন এখনই: ক্লান্তি ও মাথাব্যথা এড়াতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ঢাকার ২০ আসনে বিএনপি ১৩টিতে, জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ঐক্য ৭টিতে জয়ী নিরঙ্কুশ বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়’ — বিএনপির আনন্দোল্লাস সরকার গঠনের পথে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী শফিকুর রহমান নির্বাচিত হলে জাতিকে বিভক্ত হতে দেবো না আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ছাপানো হচ্ছে ২৬ কোটি ব্যালট পেপার মঞ্চে তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঢল ময়মনসিংহে সমাবেশ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ চান না কর্মকর্তারা এ বছর অবসরে যাচ্ছেন ১৬ সচিব, আগামী বছর ২৫ অফিস গুছিয়ে নিচ্ছেন ইসিরা চলে যাবেন ১৪ ফেব্রুয়ারি, নতুন ইসি নিয়ে জল্পনা ৫নং লক্ষিপাশা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী কে এম ফজলুল হক এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা মিকু বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় নড়াইল জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অভিনন্দন সরকারের সমালোচকরা জনগণের দুঃখ দুর্দশা থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকে: ওবায়দুল কাদের লকডাউনে কঠোরতা অব্যাহত বাড়তে পারে আরও সাত দিন শাস্তি জরিমানা সবকিছুর পরও রাস্তায় গাড়ি ও মানুষ বেড়েছে বিস্ফোরণে মুহূর্তেই সব লণ্ডভণ্ড মিলেছে গ্যাসের উপস্থিতি, হাসপাতালে আহাজারি, মর্গে মাতম ১৪টি ভবন ও তিনটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত, তিন তদন্ত কমিটি হৃদরোগে প্রতিবছর মারা যায় ২ লাখ ৭৭ হাজার আজই বসবে ৩৩তম স্প্যান আবহাওয়া ঠিক থাকলে নুর গংদের দ্বারা শুরু হওয়া ধ’র্ষণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে : ছাত্রলীগ সভাপতি জয় বাংলাদেশে সফরে আসছেন মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ষণের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ ছাত্রলীগ নেতার! নোয়াখালীতে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন; প্রধান আসামি গ্রেফতার
Headline :
আবারও বিস্ফোরণে কাঁপল দুবাই, দোহা ও মানামা: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা সৌদি আরবে আবারও ড্রোন হামলা, ইরানের দিকে অভিযোগের আঙুল উত্তর ইসরায়েলের বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি হিজবুল্লাহর বগুড়ায় নির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানে ছাত্রীদের স্কুলে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮ তেল আবিবে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, হামলার আশঙ্কায় সতর্কসংকেত মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলার দাবি ইরানের যতদিন প্রয়োজন, ইরানে বোমা হামলা চলবে: ট্রাম্পের ঘোষণা খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বে কে? খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করল ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আজ শুরু প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪৪৭ হিজরিতে ফিতরার হার ঘোষণা: জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: আজ জাতীয় শহীদ সেনা দিবস অল্প বয়সেই বাড়ছে যে কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণপ্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন দৈনিকসিলেট ডেস্ক স্ট্রোক মানেই কেবল বৃদ্ধ বয়সের রোগ—এই ধারণা এখন অতীত। চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ৫০ বছরের কম বয়সী যুবক-যুবতীদের মধ্যে স্ট্রোকের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। মূলত আধুনিক জীবনযাত্রার অনিয়ম এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনই এই মরণব্যাধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তরুণদের মধ্যে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণগুলো হলো- চিকিৎসকদের মতে, তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় আসা বেশ কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন এই বিপদের মূল কারণ। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ও স্থূলতা : অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) এবং ডায়াবেটিস এখন তরুণদের মধ্যে অতি সাধারণ সমস্যা। তথ্যমতে, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের একটি বড় অংশ উচ্চ রক্তচাপের শিকার, যা স্ট্রোকের প্রধান অনুঘটক। ভুল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অলসতা : ফাস্ট ফুড ও প্রসেসড খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক এবং কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভাব হার্টের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। ধূমপান ও মাদকাসক্তি : ধূমপানের পাশাপাশি অতিরিক্ত মদ্যপান এবং বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে রক্ত জমাট বাঁধতে (Blood Clot) সহায়তা করে। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা : পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনের তীব্র মানসিক চাপ, উদ্বেগ (Anxiety) এবং বিষণ্ণতা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।শারীরিক জটিলতা : গর্ভাবস্থাকালীন বা প্রসব-পরবর্তী বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা এবং জন্মগত হার্টের ত্রুটিও অনেকের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। উন্নত রোগ নির্ণয় পদ্ধতি : বর্তমানে এমআরআই (MRI)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে এখন অনেক ক্ষুদ্র স্ট্রোকও (Silent Stroke) ধরা পড়ছে, যা আগে অজানাই থেকে যেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এই মরণঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। ১. সুষম আহার : খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। অতিরিক্ত লবণ, চিনি এবং চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ২. নিয়মিত ব্যায়াম : শরীর সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা হালকা শরীরচর্চা করুন। ৩. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন : স্ট্রেস কমাতে যোগব্যায়াম বা ধ্যানের (Meditation) সাহায্য নিন। দৈনিক অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। ৪. নেশা বর্জন : ধূমপান এবং মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এটি রক্তনালীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। ৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা : রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা জানতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা শরীরের যে কোনো একপাশ অবশ হওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা তীব্র মাথাব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান। সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে না এলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: আইন ও বিচার বিভাগের নতুন অফিস আদেশ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নারী-শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রোজা শেষে স্বস্তি পেতে ইফতারে রাখুন ৫ মৌসুমি ফল
রিপোর্টারের নাম
  • Update Time : জুলাই, ১০, ২০২০, ১২:১২ অপরাহ্ণ
  • 365 Time View

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হল বাংলাদেশের সংবিধান। সংবিধানের ৭(১)অনুচ্ছেদে পরিস্কারভাবে উল্লেখ আছে যে,এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন।সর্বোচ্চ এই ধোকাবাজি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করা যেতে পারে। রিমান্ড কি ? রিমান্ডের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ না থাকলেও প্রচলিতভাবে জানা যায় যে,একজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামির কাছ থেকে অপরাধের তথ্য উৎঘাটন করা সম্ভব না হলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আসামিকে পূর্নাঙ্গ জিজ্ঞাসাবাদের লক্ষে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে অপরাধের তথ্য উৎঘাটনের ব্যবস্থা করার নামই রিমান্ড। অসাংবিধানিক রিমান্ডঃ— বাংলাদেশের সংবিধানে রিমান্ড সম্পর্কে যেসব অনুচ্ছেদ আছে তা কোনভাবেই রিমান্ডকে বৈধতা দেয়না।সংবিধানের ৩৫(৪)অনুচ্ছেদে বলা হয়েছেযে,কোন অপরাধের দায়ে কোন ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবেনা, অর্থাৎ রিমান্ডে নেয়ার পর যে কাজটি সাধারনত করা হয় তা সংবিধানের উপরোক্ত ৩৫(৪)অনুযায়ী অবৈধ ও অসাংবিধানিক।সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিমান্ড যে অবৈধ তার আবার সাংবিধানিক যৌক্তিকতা নির্দেশিত আছে অনুচ্ছেদ ২৬(এ)। এখানে বলা হয়েছে, এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসামন্জস্যপূর্ন সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামন্জস্যপূর্ন এই সংবিধান প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততোখানি বাতিল হইয়া যাইবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংবিধান রচিত হয়েছিল ১৯৭২ সালে কিন্তু ফৌজদারি কার্যবিধি প্রনীত হয়েছিল ১৮৯৮ সালে,ফলে আমাদের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান কার্যকর হওয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির তথাকথিত ১৬৭ ধারার প্রচলিত রিমান্ড সাংবিধানিকভাবে বাতিলল ও অবৈধ।তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে সাংবিধানিভাবে রিমান্ড বাতিল হওয়ার পরেও তা কেন আমাদের দেশে বহাল তবিয়াতে আছে ? এ প্রশ্নের নানাবিধ উত্তর আসতে পারে, আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা কাঠামো বিশেষ করে আমাদের দেশের আইনাঙ্গনের শিক্ষা কাঠামো মূলত এর জন্য দায়ী। রিমান্ড চায় পুলিশ,আমরা কি কখনও গোটা পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম ভিত্তিক আইনের বিধিগুলো খতিয়ে দেখেছি ? সম্ভবত না,কারন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের সর্বোচ্চ ডিগ্রি এল এল,এম করেও সে ধরনের শিক্ষা হয়তো আমরা পাইনি।অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো আমাদের সিলেবাসেও এ সম্পর্কে কোন নাম গন্ধ নেই।শিক্ষা কাঠামোগত এ দূর্বলতার কারনে আইনজীবী হওয়ার পরও আমাদেরকে আতঙ্কগ্রস্ত থাকতে হয় সংবিধান পরিপন্থী তথাকথিত রিমান্ড নিয়ে।দেশের আইনাঙ্গনের শিক্ষকেররা কখনও রাজশাহীতে অবস্থিত সারদা পুলিশ একাডেমিতে পুলিশকে দেয়া ট্রেনিং ম্যানুয়ালের সঙ্গে আইন বিভাগের সিলেবাসের তুলনা করেছেন কি ? সম্ভবত না আর না করার কারনে আমরা সে ধরনের তুলনামূলক বা উন্নত আইনের শিক্ষা আইন বিভাগ থেকে পাইনি,ফলে আইনের ডিগ্রিধারী আইনজীবীরা অসাংবিধানিক রিমান্ডকে নিয়ে কোনরুপ উচ্চবাচ্যই করেননা এবং নিরবে একটি বড়ো ধরনের অন্যায়কে প্রস্রয় দিয়ে আইন চর্চা করে যাচ্ছেন। শিক্ষা কাঠামোর এ ত্রুটির কারনে বিচার অঙ্গনে আইনজীবীদের মাঝে যেমন শিক্ষার দৈন্যতা তেমনি রিমান্ডের আদেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেটের মাঝেও এ দৈন্যতা গভীরভাবে পরিলক্ষিত হয়। পুলিশের চাওয়া রিমান্ড মন্জুর করাটাই মনে হয় আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবদের সাংবিধানিক দায়িত্ব।রিমান্ড ও সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী রায়ঃ—-ব্লাষ্ট বনাম বাংলাদেশ (রিপোর্টেড ৫৫ ডিএলআর. পেজ ৩৭৬)মামলায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ রিমান্ড সম্পর্কিত এক যুগান্তকারী রায় প্রদান করেছেন, রায়ে উল্লেখিত ১৫ টি নির্দেশনার মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ন গুলো নিম্নরুপ,(নির্দেশনা –১) যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদন করেন তাহলে তিনি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোন আসামিকে রিমান্ডে নেয়ার জন্য সব গ্রাউন্ড বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন এবং আদালতের সামনে সন্তুষ্টির জন্য কেচ ডায়েরি উপস্থাপন করবেন। আদালত যদি মনে করেন আসামিকে পুলিশ হেফাজতে বা রিমান্ডে দেয়ার দরকার আছে তাহলে তিনি আদেশে রিমান্ড দেয়ার কারন লিপিবদ্ধ করে তা মন্জুর করবেন।ম্যাজিষ্ট্রেট সন্তুষ্টি না হলে রিমান্ড নামন্জুরও করতে পারেন ।(নির্দেশনা-২):যদি হাকিম সাহেব রিমান্ড মন্জুর করেন তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে পাঠানোর পূর্বে আসামিকে একজন ডেজিগনেটেড ডাক্তার বা এই উদ্দেশ্যে গঠিত মেডিকেল বোর্ড দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে এবং সেই ডাক্তারি পরীক্ষা ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। নির্দেশনা ৩):রিমান্ডে নেয়ার পর শুধু তদন্তকারী কর্মকর্তাই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অধিকারী হবেন এবং রিমান্ডের সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আসামিকে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করবেন। আসমি যদি কোন নির্যাতনের অভিযোগ জানায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষনিক আসামিকে সেই ডাক্তার বা মেডিকেল বোর্ডের কাছে পাঠাবেন।(নির্দেশনা ৪):বিচারক যদি ডাক্তার বা মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন আসামিকে আঘাতের চিহ্ন পান তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফোজদারি কার্যবিধির ১৯০(১) (গ)এর অধিনে দন্ডবিধির ৩৩০ ধারা মোতাবেক আসামি কতৃক কোন প্রকার পিটিশন দায়ের ছাড়াই অপরাধ আমলে নেবেন।
লেখক:ডক্টর এম,এমদাদুল হক,আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,(ইভিনিং চেম্বার:দ্যা প্লিডার্স টেম্পল,স্যুট নং ২০৭, ২য় তলা,আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, মৌচাক,মালিবাগ,ঢাকা,মোবাইল নং-০১৭২৫৬৪৭২৬১.০১৯১২৮৮০১৭৩(রেফারেন্স বুক:-থানায় আপনার অধিকার,অ্যডভোকেট আজিজুুর রহমসন দুলু)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category