সম্প্রতি আমরা দেখেছি ভারতের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি কয়েক কেজি ওজনের একটি সোনার শার্ট পরেছিলেন।
এই শার্টের সাথে তার চরিত্র, রুচির ও আভিজাত্যের প্রকাশ ঘটেছে।
সময় যাচ্ছে তার গতিতে……..,
এই গতিতে পাল্টাচ্ছে মানুষের রুচি আর বাড়ছে চাহিদার মান। গতানুগতিক এক রকম না থেকে নিজেকে ভিন্নরূপে উপস্থাপন করার ইচ্ছেটা অামাদের সবারই আছে।
আর এই উপস্থাপনের অন্যতম মাধ্যম হল পোশাক।
পোশাকের মাধ্যমে যদি আপনার রুচি ও সৌন্দর্যের ও আভিজাত্যের অন্যতম প্রকাশ ঘটাতে চান তবে অবস্যই আপানাকে জানতে হবে ফ্যাশন কি?
একটি ল্যাটিন শব্দ।
”Facere” থেকে এ শব্দের আগমন। যার অর্থ হলো ‘”তৈরি করা”‘।
কিন্তু ফ্যাশন শব্দটা কি?
ফ্যাশন হল-উপযোগী করা। চল, প্রচলন, রেওয়াজ, কায়দা, গঠন করা ইত্যাদি। আমরা তখনই এটাকে ফ্যাশন বলি, যখন বিজ্ঞানসম্মত ভাবে অনেকগুলো দল বা মানুষের কাছে এটা দীর্ঘ সময় ধরে তার গ্রহণযোগ্যতা টিকিয়ে রাখে।
পোশাকের মাধ্যমে মানুষ তার চরিত্র, ব্যক্তিত্ব, ও সংস্কৃতির প্রকাশ, রুচির বর্হিঃ প্রকাশ ঘটায়।
প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে?
ধরুন একটা বাচ্চা যদি স্কুল ড্রেস পরে? তখন তার প্রতি আপনার দৃষ্টি ভঙ্গি হবে অন্যরকম এবং আপনি দেখেই বুঝতে পারবেন যে সে একজন স্কুল পড়ুয়া। আর অফিসে যদি আপনি লুঙ্গী পরে যান তা কি মানাবে?
না?
আবার বাজারে যদি স্যুট পরে যান? তা ও হাস্যকর!
তাই পোশাকের মাধ্যমে সহজেই বুঝতে পারবেন মানুষটা কোন দেশের বাসিন্দা বা কোন সংস্কৃতির কখনো বুঝবেন সে কোথায় যায়?
এবং ফ্যাশনের কাজটা এটা ঠিক করে দেওয়া যে কোন জায়গা কি পরতে হবে বা কোন সংস্কৃতিতে কি রঙ বা ঢং হবে।
পোশাক একটি শিল্প।
পোশাকের মাধ্যমে অাপনি কখনো হয়ে উঠতে পারেন রুচিশীল ও আকর্ষনীয় আবার হতে পারেন নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। অন্যকিছুর পাশাপাশি এর গুরত্ব কোন অংশেই কম নয়।
তাই অবস্যই পোষাক পরার ক্ষেত্রে আপনাকে ফ্যাশন সচেতন হতে হবে এবং ফ্যাশনের সাথে যোগসূত্র রেখে যদি আপনি আপনার পোষাক নির্বাচন করেন তবে অবস্যই আপনি হবেন আকর্ষণীয় ও সুরুচিসম্মত মানুষ।
————————————————————————-
বি.দ্র. লেখাটা সম্পূর্ণ নিজের সীমিত জ্ঞান হতে লিখেছি। হয়তোবা কিছু ভুল থাকতে পারে। ভুলগুলো শুধরিয়ে দিলে উপকৃত হবো।


Leave a Reply