সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:০২
Baking News
রমজানের আগে শারীরিক প্রস্তুতি নিন এখনই: ক্লান্তি ও মাথাব্যথা এড়াতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ঢাকার ২০ আসনে বিএনপি ১৩টিতে, জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ঐক্য ৭টিতে জয়ী নিরঙ্কুশ বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়’ — বিএনপির আনন্দোল্লাস সরকার গঠনের পথে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী শফিকুর রহমান নির্বাচিত হলে জাতিকে বিভক্ত হতে দেবো না আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ছাপানো হচ্ছে ২৬ কোটি ব্যালট পেপার মঞ্চে তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঢল ময়মনসিংহে সমাবেশ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ চান না কর্মকর্তারা এ বছর অবসরে যাচ্ছেন ১৬ সচিব, আগামী বছর ২৫ অফিস গুছিয়ে নিচ্ছেন ইসিরা চলে যাবেন ১৪ ফেব্রুয়ারি, নতুন ইসি নিয়ে জল্পনা ৫নং লক্ষিপাশা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী কে এম ফজলুল হক এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা মিকু বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় নড়াইল জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অভিনন্দন সরকারের সমালোচকরা জনগণের দুঃখ দুর্দশা থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকে: ওবায়দুল কাদের লকডাউনে কঠোরতা অব্যাহত বাড়তে পারে আরও সাত দিন শাস্তি জরিমানা সবকিছুর পরও রাস্তায় গাড়ি ও মানুষ বেড়েছে বিস্ফোরণে মুহূর্তেই সব লণ্ডভণ্ড মিলেছে গ্যাসের উপস্থিতি, হাসপাতালে আহাজারি, মর্গে মাতম ১৪টি ভবন ও তিনটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত, তিন তদন্ত কমিটি হৃদরোগে প্রতিবছর মারা যায় ২ লাখ ৭৭ হাজার আজই বসবে ৩৩তম স্প্যান আবহাওয়া ঠিক থাকলে নুর গংদের দ্বারা শুরু হওয়া ধ’র্ষণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে : ছাত্রলীগ সভাপতি জয় বাংলাদেশে সফরে আসছেন মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ষণের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ ছাত্রলীগ নেতার! নোয়াখালীতে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন; প্রধান আসামি গ্রেফতার
Headline :
আবারও বিস্ফোরণে কাঁপল দুবাই, দোহা ও মানামা: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা সৌদি আরবে আবারও ড্রোন হামলা, ইরানের দিকে অভিযোগের আঙুল উত্তর ইসরায়েলের বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি হিজবুল্লাহর বগুড়ায় নির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানে ছাত্রীদের স্কুলে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮ তেল আবিবে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, হামলার আশঙ্কায় সতর্কসংকেত মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলার দাবি ইরানের যতদিন প্রয়োজন, ইরানে বোমা হামলা চলবে: ট্রাম্পের ঘোষণা খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বে কে? খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করল ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আজ শুরু প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪৪৭ হিজরিতে ফিতরার হার ঘোষণা: জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: আজ জাতীয় শহীদ সেনা দিবস অল্প বয়সেই বাড়ছে যে কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণপ্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন দৈনিকসিলেট ডেস্ক স্ট্রোক মানেই কেবল বৃদ্ধ বয়সের রোগ—এই ধারণা এখন অতীত। চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ৫০ বছরের কম বয়সী যুবক-যুবতীদের মধ্যে স্ট্রোকের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। মূলত আধুনিক জীবনযাত্রার অনিয়ম এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনই এই মরণব্যাধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তরুণদের মধ্যে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণগুলো হলো- চিকিৎসকদের মতে, তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় আসা বেশ কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন এই বিপদের মূল কারণ। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ও স্থূলতা : অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) এবং ডায়াবেটিস এখন তরুণদের মধ্যে অতি সাধারণ সমস্যা। তথ্যমতে, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের একটি বড় অংশ উচ্চ রক্তচাপের শিকার, যা স্ট্রোকের প্রধান অনুঘটক। ভুল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অলসতা : ফাস্ট ফুড ও প্রসেসড খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক এবং কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভাব হার্টের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। ধূমপান ও মাদকাসক্তি : ধূমপানের পাশাপাশি অতিরিক্ত মদ্যপান এবং বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে রক্ত জমাট বাঁধতে (Blood Clot) সহায়তা করে। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা : পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনের তীব্র মানসিক চাপ, উদ্বেগ (Anxiety) এবং বিষণ্ণতা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।শারীরিক জটিলতা : গর্ভাবস্থাকালীন বা প্রসব-পরবর্তী বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা এবং জন্মগত হার্টের ত্রুটিও অনেকের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। উন্নত রোগ নির্ণয় পদ্ধতি : বর্তমানে এমআরআই (MRI)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে এখন অনেক ক্ষুদ্র স্ট্রোকও (Silent Stroke) ধরা পড়ছে, যা আগে অজানাই থেকে যেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এই মরণঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। ১. সুষম আহার : খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। অতিরিক্ত লবণ, চিনি এবং চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ২. নিয়মিত ব্যায়াম : শরীর সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা হালকা শরীরচর্চা করুন। ৩. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন : স্ট্রেস কমাতে যোগব্যায়াম বা ধ্যানের (Meditation) সাহায্য নিন। দৈনিক অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। ৪. নেশা বর্জন : ধূমপান এবং মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এটি রক্তনালীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। ৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা : রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা জানতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা শরীরের যে কোনো একপাশ অবশ হওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা তীব্র মাথাব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান। সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে না এলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: আইন ও বিচার বিভাগের নতুন অফিস আদেশ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নারী-শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রোজা শেষে স্বস্তি পেতে ইফতারে রাখুন ৫ মৌসুমি ফল
রিপোর্টারের নাম
  • Update Time : আগস্ট, ৪, ২০২০, ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ
  • 378 Time View

লেখকঃ  ডক্টর এম,এমদাদুল হক, আইনজীবী,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,চেম্বার:শহীদ সোহরাওর্য়াদ্দী ভবন,রুম নাং ১০০৮,দশ তলা, সুপ্রিম কোর্ট,ঢাকা,কন্টাক্ট নং ০১৭২৫-৬৪৭২৬১,০১৯১২-৮৮০১৭৩

জমি অধিগ্রহন প্রতিটা সরকারের একটি চলমান প্রক্রিয়া। সরকার জনসাধারণের জমি অধিগ্রহনের মাধ্যমে জনসাধারনের জন্যেই জনহীতৈকার কর্ম সম্পাদন করে থাকে। সরকারী অফিস-আদালত,রাস্তা- ঘাট, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তারমধ্যে অন্যতম কর্ম বলে আমরা জেনে থাকি।রাষ্ট্রের প্রয়োজনে সরকার জমি অধিগ্রহন করে থাকলে সেখানে জনগনের কিছুই করার থাকেনা। জমির মালিকের অপূরনীয় ক্ষতি হলেও সরকারের সিদ্ধান্ত বদল করা দূরহ ব্যাপার। জমি অধিগ্রহন রোধ করা না গেলেও জমির মালিক তার উপযুক্ত ক্ষতিপূরন পাওয়ার আইনত হকদার।যদি কোন মালিক জমির ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হন তাহলে তিনি উপযুক্ত ক্ষতিপূরনের জন্য জেলা আরবিট্রেশন আদালতের স্মরনাপন্ন হতে পারেন।একজন যুগ্ম জেলা জজ পদমর্যাদার বিচারক জেলা আরবিট্রেশন আদালতের বিচারক থাকেন।আরবিট্রেশন শব্দের অর্থ হলো সালিশ বা মিমাংসা,তাই অনেকের কাছে এটা সালিশি কোর্ট নামেও পরিচিত। জমির মালিক রাষ্ট্র দ্বারা অধিকৃত সম্পত্তির ন্যায্য পাওনার আইনত হকদার যা সরকার বা রাষ্ট্র তাকে দিতে আইনত বাধ্য,তবে উক্ত জমির মূল্যমান নির্ধারন করা খুবই জরুরী একটি কাজ।সাধারনত দেখা যায় অধিগ্রহনকৃত এলাকায় বিগত একবছর যাবৎ বিক্রয়কৃত জমির দলিলে উল্লেখিত মূল্যমান হতে এইরুপ মূল্য নির্ধারিত হয়ে থাকে।তবে আমরা এটাও জানি সরকারের রাজস্ব বা রেজিস্ট্রি ফি ফাকি দেয়ার জন্য জনগন প্রায়সই দলিলের মূল্যমান প্রকৃত দাম থেকে অনেক কম উল্লেখ করে থাকেন।এজন্যই জমির দলিলে যে মূল্যমান লেখা থাকে তার থেকে দেড়গুন অধিগ্রহনকৃত জমির ক্ষতিপূরন হিসাবে নির্ধারন করা হয়ে থাকে। তাছাড়া জমির শ্রেনীর উপরও ক্ষতিপূরন কম বেশি হয়ে থাকে।         অনেক সময়ই আমরা দেখে থাকি জমির মালিক ন্যায্য ক্ষতিপূরন পাননা।ভূমি অধিগ্রহন দপ্তরের একশ্রেণীর অসাধু অসৎ কর্মচারীদের কারনে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হন।এই অসৎ কর্মচারীদের নানাবিধ দাবী দাওয়া এবং প্রলোভন থাকে। জমিতে গাছপালা,পাকা স্থাপনা ইত্যাদির জন্যেও আলাদা ক্ষতিপূরন প্রদানের বিধান রয়েছে।সরকার কর্তৃক নির্ধারনকৃত মূল্যমানে অসন্তুষ্ট হইলে যে কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জেলা আরবিট্রেশন আদালতে ন্যায্য
ক্ষতিপূরনের জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন।এই আদালতে মামলা করতে হলে সরকার কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে অধিগ্রহনের প্রদেয় টাকা উত্তোলন করতে নেই।মামলা দায়েরের সময় অবশ্যই ক্ষতিপূরন বাবদ প্রদত্ত চেকের ফটোকপি আর্জির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে।মামলায় প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি অবশ্যই লাগাতে হবে।মামলা ফাইলিংয়ের পর আদালত সরকার পক্ষকে (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) কে নোটিশ দিয়ে জানাবেন এবং নোটিশের সাথে মামলার একটি আর্জিও সংযুক্ত থাকবে। সাধারনত সরকার পক্ষ নোটিশের জবাব দিতে গড়িমশি করে থাকেন তবে তাকে শেষপর্যম্ত নোটিশের জবাব দাখিলের মাধ্যমে মামলায় কন্টেস্ট করতে হয়। অবশেষে শুনানি অন্তে বিজ্ঞ বিচারক রায় প্রদান করে থাকেন। রায়ের মাধ্যমে আরবিট্রেশন আদালত ক্ষতিপূরন হিসাবে সর্বাধিক শতকরা দশ টাকা বাড়িয়ে রায় প্রদান করার অধিকার রাখেন। আরবিট্রেশন বা শালিসি আদালতের রায়েও যদি অধিগ্রহনকৃত জমির মালিক সন্তুষ্ট না হন তাহলে মালিক পক্ষ আরবিট্রশন আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন।প্রতিটি জেলার বিজ্ঞ জেলা জজ সাহেব আরবিট্রেশন আপিল আদালতের বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।আপিল আদালত অতিরক্ত শতকরা পাচঁ টাকা ক্ষতিপূরন বৃদ্ধি করার এখতিয়ার রাখেন। অধিগ্রহন অধিদপ্তরের দূর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ফাদেঁ পা না দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আরবিট্রেশন আদালতের স্মরনাপন্ন হলে আইনের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে আদালত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।                        

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category