প্রসঙ্গত, সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর করার জন্য ২০০৮ সালে প্রাথমিক জরিপ হয়। চীনের সঙ্গে ২০০৯ সালে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে সরকার। ওই বছরের অর্থনৈতিক মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাবটি ওঠে। সেখানে অনুমোদন দেওয়া এবং বিনিয়োগকারী খোঁজার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর দুই বছর কোনো প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ না দেখানোয় ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে সিদ্ধান্ত হয় প্রকল্পটি পিপিপিতে বাস্তবায়নের। সর্বশেষ ২০১২ সালে স্বাক্ষরিত আরেকটি সমঝোতা স্মারকে স্থির হয়, চীন সেখানে প্রাথমিক বিনিয়োগ করবে। মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অনলাইন পোর্টাল নীতিমালার নয়টি অনুচ্ছেদ সংশোধন করে পাঁচটি নতুন অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের যোগ্যতা-অযোগ্যতা, নিবন্ধন ফি, কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিভিশন চ্যানেল এবং বেতারের নিউজ পোর্টাল হিসেবে প্রচারকাজ পরিচালনা এবং আইপি টিভি ও ইন্টারনেট রেডিওর সম্প্রচার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা (নীতিমালায়) ছিল না, এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। দেশের টেলিভিশন এবং বেতারগুলোও এখন নিউজ পোর্টাল চালাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এজন্য অনুমতি নিতে হতো না, এখন নিতে হবে। একই সঙ্গে আইপি টিভি, ইন্টারনেট রেডিও সম্প্রচারের বিষয়ে (নীতিমালায়) সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল না, এসব বিষয় নীতিমালায় যুক্ত করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পত্রিকাগুলো হার্ডকপিতে যা ছাপছে, হুবহু সেটাই যদি অনলাইনে দিয়ে দেয়, তাহলে কোনো অনুমতি লাগবে না। কিন্তু যদি কেউ ভেরিয়েশন করে, তখন তাকে অনুমতি নিতে হবে। কারণ অনেকেই হুবহু তা দিচ্ছে না। অনলাইন সংস্করণে ভেরিয়েশন থাকলে লাইসেন্স নিতে হবে। রেডিও-টেলিভিশন তো অনলাইন করার জন্য নয়, তারা যে মাধ্যমে চালাবে সেই মাধ্যমে…, তারপরও যদি অনলাইন করতে হয়, তাহলে রেডিও-টেলিভিশন দুটোকেই (অনলাইনের) অনুমতি নিতে হবে, নিবন্ধন নিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত সম্প্রচার কমিশন না হবে, ততক্ষণ তথ্য মন্ত্রণালয় যে কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে সেই কর্তৃপক্ষ এসব বিষয় দেখভাল করবে। ২০১৭ সালের ৫ জুলাই জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা গেজেট প্রকাশ করে সরকার। এদিকে মন্ত্রিসভার গতকালের বৈঠকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন ২০২০-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ব্যাংকার বহিঃসাক্ষ্য আইন ২০২০ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি ২০২০ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৈঠকে প্রতিবছর ৫ আগস্ট শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপন এবং দিবসটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্রের ‘ক’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।




Yasean
Leave a Reply